বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক শিশু। জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার এই শিশুদের দেশের যোগ্য নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলার দায়িত্ব সকলের। জাতিকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে হলে শিশুদের সার্বিক উন্নয়নের উপর গুরুত্ব আরোপ করতে হবে।
জাতীয় স্বার্থে শিশুদের গুরুত্বপূর্ণ ভহমিকার উপলব্ধি থেকেই তাদের শারীরিক, মানসিক, সাংস্কৃতিক ও সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ সাধনের লক্ষে ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৯৪খ্রি ১০ অক্টোবর তারিখেবাংলাদেশ শিশু একাডেমী খাগড়াছড়ি জেলা অফিস খোলা হয়।
· দপ্তর প্রধানের পদবীঃ জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা।
· বাংলাদেশ শিশু একাডেমীর কার্যক্রমের সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ
জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতাঃ প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ায় উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজন,জেলায় ১ম স্থান প্রতিযোগীকে অঞ্চল/বিভাগীয় পর্যায়ে প্রেরণ এবং অঞ্চল/বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম স্থান প্রতিযোগীকে জাতীয় পর্যায়ে প্রেরণের ব্যবস্থা করা।
মৌসুমী প্রতিযোগিতাঃ- প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বির্তক, সমবেত দেশাত্মরোধক, জারি গান, জ্ঞান-জিজ্ঞসা, দলীয় নৃত্য (আঞ্চলিক) উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা আয়োজন, জেলায় ১ম স্থান অধিকারী দলকে অঞ্চল/বিভাগীয় পর্যায়ে প্রেরণ এবং অঞ্চল/বিভাগীয় পর্যায়ে ১ম স্থান অধিকারী দলকে জাতীয় পর্যায়ে প্রেরণের ব্যবস্থা করা।
বিভিন্ন দিবস উদযাপনঃ
সরকার কর্তৃক ঘোষিত বিভিন্ন জাতীয় দিবস যেমন শহীদ দিবস ও আমত্মর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস,স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস, বাংলা নববর্ষ, বিশ্ব শিশুদিবস, জাতীয় শিশু দিবস শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস, বিজয়দিবস প্রভৃতি প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী ও স্থানীয় প্রশাসনেরসাথে সম্বনয়েউদযাপন করে থাকে। এছাড়া মনীষী ও স্মরণীয় ব্যক্তিদের জন্ম ও মৃত্যুদিবস উদযাপন করে থাকে।
প্রশিক্ষণঃ
সাংস্কৃতিক প্রশিক্ষণ
শিশুদের চিত্রাঙ্কন,সঙ্গীত,নৃত্য আবৃতি,তবলাপ্রভৃতি বিষয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস